জুলাইতেই ইংল্যান্ডে ফিরছে ক্রিকেট, প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ


ইংল্যান্ড

করোনভাইরাসের প্রকোপ কমে আসার কারণে ইউরোপের দেশগুলো ধীরে ধীরে লকডাউনও শিথিল ঘোষণা করছে। খেলাধুলাও মাঠে ফিরতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে জার্মানিতে ফুটবল ফিরেছে।ইংল্যান্ডে ১৭ জুন থেকে মাঠে গড়াচ্ছে ফুটবলও।

ক্রিকেটের কি হবে তাহলে? ইংল্যান্ডের ক্রিকেটও পিছিয়ে নেই। সরকারি নিয়ম ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তারা ক্রিকেট ফেরাচ্ছে মাঠে। এরই মধ্যে ক্রিকেটাররা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে। এবার ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ঘোষণা করেছে, আগামী জুলাইতেই তাদের দেশে টেস্ট সিরিজ খেলতে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্রিটিশ সরকার তাদেরকে এই শর্তে সিরিজ আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে যে, প্রতিটি ম্যাচ আয়োজন হতে হবে ক্লোজ ডোর স্টেডিয়ামে। অর্থ্যাৎ দর্শকের কোনো আনাগোনাই থাকবে না সেখানে।

ইংল্যান্ড যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ৮ জুলাই হ্যাম্পশায়ারের রোজ বোল স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। চলবে ১২ জুলাই পর্যন্ত। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। দ্বিতীয়টি শুরু হবে ১৬ জুলাই, শেষ হবে ২০ জুলাই। তৃতীয় টেস্ট শুরু হবে ২৪ জুলাই এবং শেষ হবে ২৮ জুলাই। ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই সিরিজটি অনুষ্ঠিত হওয়ার মূল সময় ছিল জুনে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে একমাস পিছিয়ে দিতে হলো।

গত সপ্তাহেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ইংল্যান্ডের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। সিরিজ খেলার জন্য ৯ জুন ইংল্যান্ড পৌঁছে যাবে ক্যারিবীয় ক্রিকেট দল। এরপর তারা ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টানা তিন সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইনে থাকবে। এরপর সাউদাম্পটনে যাবে তারা অনুশীলনের জন্য। ইসিবির ইভেন্ট ডিরেক্টর স্টিভ এলওয়ার্দি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে- সবার জন্য একটি স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দেয়া।

এখানে খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন খেলোয়াড়, ম্যাচ কর্মকর্তা, অপারেশনাল স্টাফ, ভেন্যুর প্রয়োজনীয় স্টাফ, ব্রডকাস্টার এবং মিডিয়া। সবার স্বাস্থ্যের কথাই আমরা চিন্তা করছি। তিনি আরও বলেন, আমরা এ নিয়ে নিয়মতই সরকার এবং আমাদের মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এই কঠিন সময়ে এরা আমাদের কঠিন সহযোগিতা করছেন। উপরোল্লিখিত তারিখগুলো আমাদের প্রস্তাবিত। তবে এ সম্পর্কে ব্রিটিশ সরকারের অনুমতির প্রয়োজন আছে।

ads