যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গদের মৃত্যু তিনগুণ বেশি


মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রে এক নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে পুলিশ কর্মকর্তা গলায় হাঁটু চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর দেশটির পুলিশি সহিংসতার বিষয়টি ফের সামনে এসেছে।একটি বেসরকারি সংস্থার জরিপে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় তিনগুণ বেশি মারা যান কৃষ্ণাঙ্গরা।

বিবিসি বাংলা জানায়, মিনিয়াপোলিস অঙ্গরাজ্যের একটি রেস্তোরাঁয় নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কাজ করতেন ৪৬ বছর বয়স্ক জর্জ ফ্লয়েড। ২৫ মে সন্ধ্যায় সন্দেহভাজন একটি প্রতারণার ব্যাপারে কল পেয়ে পুলিশ তাকে ধরে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শীর তোলা ১০ মিনিটের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জর্জ ফ্লয়েড নিঃশ্বাস না নিতে পেরে কাতরাচ্ছেন এবং বারবার একজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসারকে বলছেন- আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে ছাপানো হয়।

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। কোথাও আবার অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।ওয়াশিংটন পোস্ট সংবাদপত্রের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে ১০১৪ জন।বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, পুলিশের গুলিতে নিহতদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশিরভাগই কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান।

ম্যাপিং পুলিশ ভায়োলেন্সনামে একটি বেসরকারি সংস্থার চালানো জরিপে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় তিনগুণ বেশি মারা যান কৃষ্ণাঙ্গরা।দেশটিতে পুলিশি নির্মমতার প্রতিক্রিয়ার ফলশ্রুতিতে গড়ে উঠেছে (কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনও মূল্যবান) নামের আন্দোলন।গায়ক বিয়োন্সে, বাস্কেটবল খেলোয়াড় লেব্রন জেমসের মতো তারকারা এই আন্দোলনকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন।

ads