প্রেস ব্রিফিংয়ে গভর্নর ক্যুমো

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও করোনার হানা, ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য ভ্রমণ করলে হারাবেন 'স্বাস্থ্যবীমা' সুবিধা


এন্ড্রু ক্যুমো

টেক্সাস, আরিজোনা, ফ্লোরিডা, আলাবামা, আরকানসাস, নর্থ ক্যারোলিনা, সাউথ ক্যারোলিনা, ওয়াশিংটন ও ইউটাহ-এই ৯ রাজ্যের অধিবাসীরা নিউইয়র্ক অথবা নিউজার্সি কিংবা কানেকটিকাট রাজ্যে এলেই বাধ্যতামূলকভাবে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে ১৪ দিন।

নিউইয়র্কে এ নির্দেশ অমান্য করলে প্রথমবার জরিমানা হবে ১ হাজার ডলার। পুনরায় অমান্য করলে জরিমানার পরিমাণ বেড়ে ৫ হাজার ডলার এবং তৃতীয় বার অমান্যের ঘটনা ঘটলে ১০ হাজার ডলার করে জরিমানা গুনতে হবে। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার জন্য ২৪ জুন বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর উপরোক্ত তিন রাজ্যে এ বিধি বহাল হয়েছে। নিউজার্সি ও কানেকটিকাটে জরিমানার হার আলাদাভাবে নির্ধারণ করবেন রাজ্য গভর্নররা।

এবার নিউইয়র্ক রাজ্যের যারা স্বেচ্ছায় ঝুঁকিপূর্ণ করোনাভাইরাস সংক্রমণ হার নিয়ে অন্য রাজ্যে ভ্রমণ করবেন তাদের শুধু ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন-এর সাথে অসুস্থ ছুটি বেনিফিট কেটে নেয়া হবে। রাজ্য গভর্নর এন্ড্রু ক্যুমো শনিবার প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

রাজ্য বা স্থানীয় স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কোয়ারেন্টাইন বা স্ব-বিচ্ছিন্নকরণের আদেশ দেওয়া সমস্ত কর্মীরদের চাকরির সুরক্ষা এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণের গ্যারান্টিযুক্ত জরুরি আইন কার্যকর হয়েছে গত মার্চ থেকে।

ক্যুমো বলেন, যদি কেউ অফিসের প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া অকারণে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্যে ভ্রমণ করেন তাহলে এই স্বাস্থ্য সেবা সুবিধা কেটে নেয়া হবে।এই আদেশটি যে কোনও ব্যক্তি নিউইয়র্কের কোনও প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করেন, এমনকি তারা রাজ্যের বাইরের বাসিন্দা হলেও প্রযোজ্য। নতুন এই নির্বাহী আদেশটি গত ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

গভর্নর বলেন, ‘আমরা বহুকষ্টে নিজ নিজ স্টেটে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। মৃতের হারও অনেক কমেছে। হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তির হারও স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে। এ অবস্থায় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা কোনোভাবেই মহামারীর পর্যায়ে আবারও ফিরে যেতে চাই না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, টেনেসিসহ  একদিনে ৪৫ হাজারের বেশি রেকর্ডসংখ্যক মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

নিউইয়র্কে সবশেষ ৬১৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।

ads